বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে দলটির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ তুলেছেন ওই আসনে ১১-দলীয় জোট ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বুধবার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারের সময় তিনি এই অভিযোগ করেন।
নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘উনি (মির্জা আব্বাস) হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ ইউনিট ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন। এটা গণমাধ্যমের মাধ্যমে আপনারা একটু প্রকাশ করবেন। ওই কলেজের কমিটি যেটা আছে, সেখানে দুর্নীতি-চাঁদাবাজি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন মির্জা আব্বাস। তিনি ভিকারুননিসা নিয়ন্ত্রণ করেন, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস নিয়ন্ত্রণ করেন। এগুলো তো ওপেন সিক্রেট। মানুষ জানে এগুলো। ঢাকা-৮ আসনের বাসিন্দারা জানেন, মির্জা আব্বাসের যে আমলনামা, এটা বাংলাদেশের সব মানুষ জানে।’
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে যদি অপরাধীদের র্যাঙ্কিং করা হয়, তবে দেশের অন্যতম বড় গডফাদার এবং এক নম্বর অপরাধী হলেন মির্জা আব্বাস। আজ আমি বেঁচে আছি, বলে গেলাম; মরার পরে আপনারা প্রমাণ পাবেন। মির্জা আব্বাস যেভাবে গতকাল আমাদের ওপর হামলা করেছেন, এক নম্বর অপরাধী হলেন তিনি। তারেক রহমান স্থায়ী কমিটিতে এমন একজন সন্ত্রাসীকে আশ্রয় দিয়েছেন।’
এ সময় ঢাকা-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেনেরও সমালোচনা করেন তিনি। নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘এই যে ইশরাক, জমিদারপুত্র ইশরাক, ঢাকা-৬। এসব সন্ত্রাসীকে তারা (বিএনপি) মনোনয়ন দিয়েছে। আমরা মনোনয়নের জন্য তো চাঁদাবাজি-দুর্নীতি কিছুই করিনি। আপনি আমার সম্পর্কে খোঁজ নিন। আমার এক টাকার দুর্নীতির অভিযোগ নেই।’
নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘আমরা সিস্টেমের বিরুদ্ধে। মির্জা আব্বাস সাহেব যদি আমার পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করতে চান, তবে তাঁকে একটা জিনিস বলতে চাই—আমি খুব ভদ্র মানুষ, কিন্তু আপনি আমার ধৈর্যের বাঁধ ভাঙবেন না। যদি মনে করেন যে আপনার অনেক বড় রাজত্ব রয়েছে, অনেক বড় গুন্ডাবাহিনী ও সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে এবং তা দিয়ে নাসীরকে আপনি পিষে ফেলবেন; তবে এটি আপনার ভুল ধারণা।’