তবে ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিসিবির আম্পায়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান মিঠু। তিনি বলেছেন, শরফুদ্দীন ভারতে আম্পায়ারিং করছেন আইসিসির চুক্তির অধীনে, আইসিসির নির্ধারিত সূচিতে। আইসিসির ডাকে সাড়া দিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে শরফুদ্দীনকে বিসিবির কাছ থেকে কোনো এনওসি বা অনাপত্তিপত্র নিতে হয় না বলেও জানিয়েছেন ইফতেখার রহমান মিঠু।
আইসিসির এলিট প্যানেলভুক্ত আম্পায়ার সৈকত এর আগে বাংলাদেশে চলমান বিপিএলে কয়েকটি ম্যাচে আম্পায়ারিং করেছেন। বিসিবির আম্পায়ারিং এডুকেশন ডিপার্টমেন্টের প্রধানও তিনি। ভারতে সিরিজে সৈকতের ম্যাচ পরিচালনার ব্যাখ্যায় ক্রিকবাজকে ইফতেখার আহমেদ মিঠু বলেছেন, ‘তিনি (সৈকত) আইসিসির চুক্তিভুক্ত আম্পায়ার এবং এটা আমরা পরিষ্কার করে জানাতে চাই যে আমাদের (বিসিবি) সঙ্গে তাঁর কোনো চুক্তি নেই।’
আইসিসির ডাক এলে বিসিবির সৈকতকে আটকানোর কিছু নেই ইফতেখার রহমান বলেছেন, ‘আমাদের চুক্তিতে এটাই লেখা আছে যে যখন আইসিসির সঙ্গে তাঁর কোনো অ্যাসাইনমেন্ট থাকবে, স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তিনি আমাদের এখানে (বিসিবি) ছুটিতে চলে যাবেন। এটা স্বয়ংক্রিয় ছুটি এবং আমার এখানে তাঁকে এনওসি দেওয়ার কিছু নেই। আমার সঙ্গে তাঁর যে চাকরির চুক্তি আছে, সেখানে এটাই লেখা যে, আইসিসিতে তাঁর যখনই কোনো ব্যস্ততা থাকবে, তাঁকে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ছেড়ে দিতে হবে। এখানে তাঁকে অনুমতি দেওয়া বা না দেওয়ার কোনো কর্তৃত্ব আমার নেই।’
ক্রিকবাজের প্রতিবেদন জানাচ্ছে, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ থেকে দুজন আম্পায়ার আম্পায়ারিং করার কথা – শরফুদ্দীন ও আইসিসির ইন্টারন্যাশনাল আম্পায়ার গাজী সোহেল।







